উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
রাজস্ব ঘাটতি, বিনিয়োগে স্থবিরতা এবং অনিয়ন্ত্রিত ব্যয়ের কারণে দেশের অর্থনীতি বর্তমানে এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়েছে। রাজস্ব ঘাটতি সামাল দিতে সরকারকে নিয়মিত অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক ঋণের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে, যা জাতীয় অর্থনীতিকে দীর্ঘমেয়াদে ঋণফাঁদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
বিগত সরকারের আমলে লুটপাট, অপচয় এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের ফলে পুঞ্জীভূত এই অস্থিতিশীলতা থেকে উত্তরণে দ্রুত নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক ফাঁকফোকর বন্ধ করে আয়ের পরিধি বাড়ানোই এখন সরকারের মূল অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।
অনুৎপাদনশীল খাতে ঢালাও ঋণ নেওয়ার প্রবণতা বন্ধ করে কর্মসংস্থান ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধির মতো উৎপাদনমুখী খাতে অর্থ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া, রাষ্ট্রীয় সম্পদের কার্যকর ব্যবস্থাপনা এবং অলাভজনক প্রকল্পের দায়িত্ব ইজারা দেওয়ার মাধ্যমে সরকারের হাতে তাৎক্ষণিক তারল্য আনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
শ্রীলংকা বা ঘানার মতো দেশের অর্থনৈতিক সংকটের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সময়মতো আর্থিক সংস্কার ও ঋণের পুনর্গঠন অত্যন্ত জরুরি। প্রশাসনিক সততা বজায় রেখে এবং সুশাসনের ওপর নজর দিয়ে একটি টেকসই অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলাই এখন সময়ের দাবি।