উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের সন্ত্রাস ও দুর্নীতির ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণে রাখতে কেবল নিয়োগই শেষ কথা নয়, বরং নিয়োগের পর নিয়মিত নজরদারি অত্যন্ত জরুরি। অনেক সময় রাজনৈতিক আনুগত্য বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের ভিত্তিতে নিয়োগ পাওয়ার পর অনেকে নিজের অবস্থানকে ক্ষমতার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন, যা সরকারের সামগ্রিক ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জিরো টলারেন্স নীতি তখনই বিশ্বাসযোগ্য হয়, যখন দলীয় শৃঙ্খলা ও রাষ্ট্রীয় আইনি ব্যবস্থার মধ্যে সঠিক ভারসাম্য বজায় থাকে। কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয়কে বড় করে না দেখে প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের প্রভাবমুক্ত তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।
ক্ষমতা কোনো দলের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, বরং এটি জনগণের কাছ থেকে পাওয়া একটি সাংবিধানিক দায়িত্ব। তাই দলের সর্বস্তরে এমন সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে যেখানে রাজনৈতিক পরিচয় কাউকে আইনের ঊর্ধ্বে রাখে না, বরং তাকে আরও বেশি জবাবদিহির মধ্যে নিয়ে আসে।
প্রকৃত জিরো টলারেন্সের অর্থ হলো অপরাধী যে রাজনৈতিক ছাতার নিচেই থাকুক না কেন, তা সরিয়ে ফেলা। কেবল মাঠপর্যায়ের অপরাধী নয়, বরং হামলার পরিকল্পনাকারী, অর্থ জোগানদাতা এবং পৃষ্ঠপোষকদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনলেই এই নীতির প্রকৃত সুফল পাওয়া সম্ভব।