উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
দেশের আর্থিক ব্যবস্থায় সন্দেহজনক লেনদেন ও কার্যক্রমের রিপোর্টিং এক বছরে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) কাছে সন্দেহজনক লেনদেন ও কর্মকাণ্ডের ৩০ হাজার ১৯৯টি রিপোর্ট জমা পড়েছে। আগের অর্থবছরে এই সংখ্যা ছিল ১৭ হাজার ৩৪৫টি, যা এক বছরে প্রায় ৭৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
মোট রিপোর্টের মধ্যে ব্যাংকের অংশ ২০২২-২৩ অর্থবছরে ছিল ৯১ শতাংশ, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৯২ শতাংশ এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৫ শতাংশে। এর অর্থ ব্যাংকগুলো আগের তুলনায় বেশি লেনদেন পর্যবেক্ষণ করছে এবং সন্দেহজনক কার্যক্রম বিএফআইইউকে জানাচ্ছে। তবে দেশের আর্থিক ব্যবস্থার প্রধান প্রবেশপথ হওয়ায় ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে অবৈধ অর্থের প্রবাহ বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।
বিএফআইইউ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কাছে ১৯৯টি আর্থিক গোয়েন্দা প্রতিবেদন পাঠিয়েছে যার মধ্যে ৯০টির সাথে দুর্নীতি ও ঘুষের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এছাড়া প্রতারণা ও জালিয়াতিসংক্রান্ত প্রতিবেদন ৪৬টি, করসংক্রান্ত অপরাধ ২৭টি এবং মুদ্রা চোরাচালানসংক্রান্ত প্রতিবেদন ১১টি। আর্থিক গোয়েন্দা বিশ্লেষণে দুর্নীতি ও ঘুষ সবচেয়ে বড় অংশ হওয়ায় এটি অর্থনীতির জন্যও বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।
আর্থিক তথ্য চাওয়ার ক্ষেত্রে দুদক ও সিআইডির প্রবণতা দ্রুত বেড়েছে এবং বিভিন্ন সংস্থা এক হাজার ৩২৯টি অনুরোধের বিপরীতে এক হাজার ৩১৪টির তথ্য পেয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দুদক ৮৪টি তথ্য চাইলেও পরের অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৬৩টিতে এবং সিআইডি ৪২৬টি তথ্যের অনুরোধ করে। তবে এগুলোর সাথে বিএফআইইউর ১৯৯টি গোয়েন্দা প্রতিবেদন সরাসরি মিলিয়ে দেখা যাবে না কারণ একটি মামলায় একাধিকবার তথ্য চাওয়া হতে পারে।