উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
অতিরিক্ত কমিশন ও বিভিন্ন খাতে অর্থ কেটে নেওয়ার প্রতিবাদে ফুডপান্ডার সেবা বন্ধ রাখার কর্মসূচি আরও কঠোরভাবে বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি, চট্টগ্রাম মহানগর। সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ৬ অক্টোবর থেকে ফুডপান্ডার কার্যক্রম বন্ধ রাখার এই সম্মিলিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং কিছু প্রতিষ্ঠান ট্যাব চালু রাখলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
রেস্তোরাঁ মালিকদের অভিযোগ, ফুডপান্ডার কমিশন ও বিভিন্ন চার্জের কারণে ব্যবসায়িক ব্যয় অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে এবং প্রকৃত লাভ তলানিতে ঠেকেছে। গত ২ অক্টোবর সমিতি জানিয়েছিল যে ৫ অক্টোবর থেকে চট্টগ্রাম শহরের ছোট-বড় রেস্তোরাঁয় প্ল্যাটফর্মটির সেবা বন্ধ রাখা হবে এবং এই দাবিগুলো লিখিতভাবে ফুডপান্ডার কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।
এদিকে ফুডপান্ডা বাংলাদেশের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কয়েক কোটি টাকার পণ্য নিয়ে অর্থ পরিশোধ না করা এবং জালিয়াতির অভিযোগে মামলা হয়েছে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম মামলার পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন এবং আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দা আম্বারিন রেজা ও জুবায়ের সিদ্দিকীসহ অন্যান্যরা।
মালিক সমিতির নেতারা বলছেন তাদের কর্মসূচি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিরোধ তৈরির উদ্দেশ্যে নয় বরং একটি ন্যায্য পরিবেশ নিশ্চিত করাই তাদের লক্ষ্য। আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানানোর কথা জানিয়েছে ফুডপান্ডা, অন্যথায় চট্টগ্রামে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।