উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আবরার ফাহাদের হত্যাকাণ্ড মানুষকে সম্প্রসারণবাদী শক্তির বিরুদ্ধে আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ করেছে। বুধবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের নিচতলায় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। শহীদ আবরার ফাহাদের সপ্তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এই সভার আয়োজন করে।
রিজভী বলেন, ফ্যাসিবাদের দমন-পীড়নের সময়ে একের পর এক আন্দোলন ব্যর্থ হওয়ায় মানুষের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছিল, কিন্তু আবরার হত্যাকাণ্ডের পর গোটা জাতির তীব্র প্রতিক্রিয়া প্রমাণ করেছে প্রতিবাদের শক্তি তখনো বিদ্যমান ছিল। আবরারের একটি ফেসবুক পোস্টের প্রতিটি শব্দ ছিল দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে। সেই বক্তব্যের কারণে তাঁকে হত্যা করা হলেও তাঁর মৃত্যু মানুষের মধ্যে ভয়ের পরিবর্তে প্রতিরোধের শক্তি জোরালো করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আলোচনা সভায় শহীদ আবরার ফাহাদের বাবা মো. রহমত উল্লাহ বলেন, দেশের স্বার্থবিরোধী বিভিন্ন চুক্তি ও কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখাই ছিল আবরার ফাহাদের অপরাধ। এ কারণেই তাঁকে বুয়েটের হলে কয়েক ঘণ্টা ধরে নির্মমভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। আবরার হত্যার সাত বছর পার হয়ে গেলেও বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়ায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আবরার হত্যাকাণ্ড যে পূর্বপরিকল্পিত ছিল, তা আদালতের রায়েও উঠে এসেছে। কিন্তু তৎকালীন বুয়েট কর্তৃপক্ষ জড়িত ছাত্রসংগঠনকে নিষিদ্ধ না করে পুরো ছাত্ররাজনীতিই নিষিদ্ধ করেছিল, যা ছিল ফ্যাসিবাদী আচরণের সুস্পষ্ট প্রতিফলন। ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের সঞ্চালনায় সভায় আরও অনেকে বক্তব্য দেন।