উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার ৭ নম্বর রঘুনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে মাঠপর্যায়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন হরিনাকুণ্ডু উপজেলা সমন্বয়কারী কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী অধ্যক্ষ মোঃ রুবেল হাসান। নির্বাচন সামনে রেখে দলটির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক মনোনয়নের তালিকা প্রকাশ করা না হলেও, উচ্চশিক্ষার আলো ছড়ানো এই সুশিক্ষিত তরুণ প্রতিনিধির কৌশলী ও আধুনিক প্রচারণায় এলাকায় বেশ আলোড়ন তৈরি হয়েছে। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় এবং ইউনিয়নের সুশাসন, অধিকার ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে গ্রাম থেকে গ্রামে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন তিনি।
নির্বাচনী মাঠ কাঁপানো এই প্রার্থী শুধু একজন উদীয়মান রাজনৈতিক নেতৃত্বই নন, বরং একজন উচ্চশিক্ষিত, সুমার্জিত ও দূরদর্শী ব্যক্তিত্ব। তিনি দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী প্রথিতযশা বিদ্যাপীঠ যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এম এম) কলেজ থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর (এমবিএ) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। উচ্চশিক্ষার এই প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞানকে সমাজসেবায় কাজে লাগিয়ে তিনি হরিণাকুণ্ডুর ভায়নায় প্রতিষ্ঠা করেছেন সুপরিচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’, যেখানে তিনি বর্তমানে প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।
পারিবারিক ও সামাজিক মহলে তাঁর এই উচ্চশিক্ষিত ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ভোটারদের মাঝে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছে। উল্লেখ্য, অধ্যক্ষ মোঃ রুবেল হাসান একটি সম্মানিত শিক্ষক পরিবারে বেড়ে উঠেছেন। তাঁর পিতা মান্দিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি শিক্ষকতা জীবন থেকে সফলভাবে অবসর গ্রহণ করে ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত আছেন। আদর্শিক শিক্ষক পরিবারের নীতি-নৈতিকতা ও উচ্চশিক্ষার সুদৃঢ় মূল্যবোধে বেড়ে ওঠার কারণে সমাজের প্রতি রুবেল হাসানের দায়বদ্ধতা অন্য সবার চেয়ে আলাদা। এই পারিবারিক ও সামাজিক শিক্ষার ঐতিহ্যই তাঁকে রঘুনাথপুরবাসীর সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে উদ্বুদ্ধ করেছে।
গণসংযোগকালে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে অধ্যক্ষ মোঃ রুবেল হাসান তাঁর নির্বাচনী রূপরেখা ও আধুনিক উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমি যদি জনগণের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারি, তবে আমার প্রথম অগ্রাধিকার হবে ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের অবহেলিত রাস্তাঘাট দ্রুত মেরামত ও আধুনিকায়ন করা। গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিবর্তনের পাশাপাশি এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুশিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চায় বিশেষ ভূমিকা রাখা হবে। তরুণ সমাজকে মাদকমুক্ত রেখে ‘মানুষের মতো মানুষ’ হিসেবে গড়ে তোলা এবং দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে প্রস্তুত করতে প্রতিটি স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে নিয়মিত দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা সভার আয়োজন করব।”
কৃষক ও মেহনতী মানুষের উন্নয়ন প্রসঙ্গে এই উচ্চশিক্ষিত প্রার্থী আরও বলেন, “রঘুনাথপুর ইউনিয়নের অর্থনীতির মূল ভিত্তি कृषि। তাই কৃষকরা যাতে সব ধরনের সরকারি সাহায্য-সহযোগিতা ও প্রণোদনা সঠিক সময়ে ও নির্বিঘ্নে পান, তা নিশ্চিত করা হবে। আমি সবসময় সাধারণ, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে তাঁদের অধিকার আদায়ে কাজ করে যেতে চাই।”
এদিকে রুবেল হাসানের গণসংযোগের ছবি ও খবর নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে শেয়ার করে তাঁর প্রতি শুভকামনা জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ঝিনাইদহ জেলা শাখার জ্যেষ্ঠ নেতা ও যুগ্ম সদস্য সচিব (দপ্তর) মোঃ হামিদ পারভেজ মিয়া। এক বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, “একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও আধুনিক ইউনিয়ন পরিষদ গঠন এবং জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় তরুণ সমাজের যোগ্য, সুশিক্ষিত ও দূরদর্শী প্রতিনিধি হিসেবে অধ্যক্ষ মোঃ রুবেল হাসান নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা বিশ্বাস করি, তাঁর মতো শিক্ষিত ও তরুণ নেতৃত্বই পারবে রঘুনাথপুরের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে।” একই সাথে তিনি রঘুনাথপুর ইউনিয়নের সার্বিক কল্যাণ ও পরিবর্তনের স্বার্থে সর্বস্তরের ইউনিয়নবাসীর দোয়া, আন্তরিক সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের এমন ইতিবাচক মনোভাব ও প্রচারণায় ইউনিয়নজুড়ে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে নতুন উদ্দীপনা দেখা গেছে। গ্রামগঞ্জের হাট-বাজার ও চায়ের দোকানগুলোতে রুবেল হাসানের 'ক্লিন ইমেজ', তাঁর উচ্চশিক্ষার ব্যাকগ্রাউন্ড, শিক্ষাবিদ হিসেবে সুনাম, শিক্ষক পরিবারের সুদৃঢ় দায়বদ্ধতা ও আধুনিক ইউনিয়ন গড়ার চিন্তাভাবনা নিয়ে এখন ব্যাপক আলোচনা চলছে