উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রাথমিক রূপরেখা থেকে সরকারের আপত্তির মুখে সরে আসার ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির আশঙ্কা, প্রশাসনিক নানা অজুহাত দেখিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিলম্বিত করার একটি পরিকল্পিত প্রবণতা তৈরি করা হচ্ছে।
আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, অনির্বাচিত প্রশাসকদের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান পরিচালনার মেয়াদ দীর্ঘায়িত হলে জনগণের ভোটাধিকার ও স্থানীয় গণতন্ত্র আরও পিছিয়ে যাবে।
সংবাদ সম্মেলনে গোলাম পরওয়ার জানান, গত ১৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সাত ধাপে সম্পন্ন করার একটি প্রাথমিক রূপরেখা ঘোষণা করেছিল। কিন্তু মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে সরকারের স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম প্রকাশ্যে আপত্তি জানানোর পর ইসি তার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হয়, যা দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য হুমকিস্বরূপ।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আরও বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার ব্যাপারে ইসির সুপারিশটি সংবিধানবিরোধী ও বৈষম্যমূলক। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার হয়তো একদলীয়ভাবে নিজেদের লোকদের বিজয়ী করতে নির্বাচনী আইন পরিবর্তনের অপকৌশল নিয়েছে, যা মাগুরার স্টাইলে নির্বাচনের প্লট তৈরির শামিল।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের পক্ষ থেকে আট দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ দেওয়া, দ্রুত চূড়ান্ত নির্বাচনী রোডম্যাপ প্রকাশ করা, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অযোগ্য ঘোষণার সিদ্ধান্ত বাতিল করা এবং বর্তমানে নিয়োজিত প্রশাসকদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এবং এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদসহ অন্য নেতৃবৃন্দ।