উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
আগামী ৬ অক্টোবর বাংলাদেশ শিশু অ্যাকাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সুবর্ণজয়ন্তীর আয়োজন করা হবে। এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকার সম্মতি দিয়েছেন। এই জাতীয় আয়োজনকে কেন্দ্র করে বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর শিশু অ্যাকাডেমি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও আশপাশের অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়। ডিএমপির প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন মন্ত্রী। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সমন্বিত নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা, সুনির্দিষ্ট ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাকাডেমির সীমানার বিভিন্ন পয়েন্টে সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বুধবার এই প্রস্তুতিমূলক মতবিনিময় সভায় সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিতের নির্দেশনা দেন। পরিদর্শনকালে তিনি শিশু অ্যাকাডেমির মূল মিলনায়তন, লাইব্রেরি, ব্রেইল কর্নার, স্টোর রুম ও সীমানাপ্রাচীরসহ আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন। অ্যাকাডেমির পরিবেশ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও অবকাঠামোগত অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে শিশুদের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজের নির্দেশনা দেন তিনি। সভায় সভাপতির বক্তব্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক সচিব ড. রওশন আরা বেগম জানান যে সুবর্ণজয়ন্তীর আয়োজন সফল করতে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করছে। অনুষ্ঠানমালার প্রতিটি পর্ব নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটিমুক্তভাবে সম্পন্ন করতে গণপূর্ত অধিদপ্তর, ডিপিডিসি ও ডিএমপিসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি। সভায় গণপূর্ত অধিদপ্তর ও ডিপিডিসির প্রধান প্রকৌশলীরা, ঢাবির প্রক্টর, বাংলাদেশ শিশু অ্যাকাডেমির মহাপরিচালক, অ্যাকাডেমি পরিচালনা বোর্ডের সদস্য এবং ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন যে শিশু অ্যাকাডেমিকে দেশের প্রতিটি শিশুর অন্তর্নিহিত প্রতিভা বিকাশ, মুক্তচিন্তা ও মানসিক উৎকর্ষ সাধনের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কেন্দ্রীয় আয়োজনের পাশাপাশি দেশের সব জেলা পর্যায়েও শিশুদের ব্যাপক অংশগ্রহণে উৎসবমুখর কর্মসূচি আয়োজন করতে হবে। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকা বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনটি দ্রুত সচল করতে গণপূর্ত অধিদপ্তর ও ডিপিডিসিকে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেন মন্ত্রী। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার জন্য ভবনের ছাদে আধুনিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনেরও নির্দেশ দেওয়া হয় এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য ব্রেইল কর্নারের সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।