উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ঢাকা শহরের যানজট নিরসন ও পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা জোরদার করতে ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট লাইন-৫ এর সাউদার্ন রুট প্রকল্প অনুমোদন করেছে পরিকল্পনা কমিশন। সংশোধিত স্ট্র্যাটেজিক ট্রান্সপোর্ট প্ল্যান অনুসরণে রাজধানীর পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তকে যুক্ত করতে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়ন করবে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড। আজ বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির একনেক সভায় অনুমোদনের জন্য প্রকল্পটি উত্থাপন করা হবে।
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীনে নতুন এই প্রকল্প প্রস্তাবটির মূল প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১৫ হাজার ১৯৭ কোটি ৬৬ লাখ ৪৭ হাজার টাকা এবং এডিবি ও দক্ষিণ কোরিয়ার ইডিসিএফ থেকে প্রকল্প ঋণ হিসেবে সংস্থান হবে ৩০ হাজার ৩০৬ কোটি ১০ লাখ ২৩ হাজার টাকা। নতুন মেয়াদ অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে শুরু হয়ে আগস্ট ২০৩৩ সালের মধ্যে এই প্রকল্পের নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রাজধানীর গাবতলী থেকে শুরু হয়ে টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজ গেট, আসাদ গেট, শুক্রাবাদ, কারওয়ান বাজার, হাতিরঝিল, তেজগাঁও, আফতাব নগর এবং নাসিরাবাদ ও দাসেরকান্দি পর্যন্ত বিস্তৃত হবে এই সাউদার্ন রুট। প্রকল্পটির মূল কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে মেইন লাইনের সিভিল ও স্টেশন নির্মাণ, ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল ব্যবস্থা স্থাপন, আধুনিক রেলওয়ে সিস্টেম চালু এবং রোলিং স্টক সংগ্রহ। এছাড়া কনসালটেন্সি সার্ভিস গ্রহণ, জমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন এবং ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজও এর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বর্তমানে নগরীতে এমআরটি লাইন-৬ আংশিকভাবে সচল রয়েছে এবং এমআরটি লাইন-১ ও লাইন-৫ নর্দান রুটের কাজ চলমান রয়েছে। সাউদার্ন রুটটি চালur পর এটি নর্দান রুট ও লাইন-১ এর সঙ্গে যুক্ত হবে, ফলে যাত্রীরা দ্রুত ও সহজে এক লাইন থেকে অন্য লাইনে যাতায়াত করতে পারবেন। পুনর্গঠিত এই প্রকল্পের ফলে মূল প্রস্তাবিত ব্যয়ের তুলনায় প্রায় দুই হাজার ১৪১ কোটি ৪ লাখ টাকা ব্যয় কমে এসেছে।