উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও সরকারের মধ্যে সমন্বয়হীনতা প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। গত সোমবার ইসি সাত ধাপে ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করার পর সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা তাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ না করার অভিযোগ তুলেছেন।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, নির্বাচনের সময়সূচির বিষয়ে সরকার ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় কিছুই জানে না। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সিদ্ধান্ত সরকারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই নির্ধারিত হওয়া উচিত।
সরকারের এই আপত্তির পর ইসি সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, ঘোষিত সময়সূচিটি একেবারেই প্রাথমিক। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর সঙ্গে বৈঠকের পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যকে তিনি 'শিরোধার্য' বলে উল্লেখ করেছেন।
এদিকে ঘোষিত সম্ভাব্য তারিখের মধ্যে ৩০ ডিসেম্বর বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী হওয়ায় বিএনপি অনানুষ্ঠানিকভাবে আপত্তি জানিয়েছে। এছাড়া ১৩ ডিসেম্বর জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা থাকায় ওইদিনও ভোট গ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ইসির এমন আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এনসিপি। দলটির মতে, প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যকে 'শিরোধার্য' মেনে নেওয়া প্রমাণ করে যে কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না। তবে আইন অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ ও সময়সূচি নির্ধারণের চূড়ান্ত এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনেরই রয়েছে।