উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচে প্রবাহিত হলেও আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গঙ্গা ও গড়াই নদীর পানি কিছু এলাকায় সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে। এর ফলে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর পরিস্থিতি বিষয়ক এক পূর্বাভাস প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী তিন দিনে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য এলাকার উজানে মাঝারি থেকে মাঝারি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা নদীর পানি কমেছে এবং পদ্মার পানি স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী দুই দিন ব্রহ্মপুত্র-যমুনার পানি কমে পরবর্তী তিন দিনে তা আবার বাড়তে পারে। অন্যদিকে গঙ্গা ও পদ্মার পানি আগামী পাঁচ দিন পর্যন্ত কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কিছু এলাকায় গঙ্গা নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এবং এই সময়ে নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে। গত ২৪ ঘণ্টায় গড়াই ও মাথাভাঙা নদীর পানি স্থিতিশীল ছিল এবং আগামী দুই দিনও তা এই অবস্থায় থাকতে পারে। তবে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফরিদপুর, রাজবাড়ী ও মাগুরার কিছু এলাকায় গড়াই নদীর পানি সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে এবং আগামী তিন দিনও এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে। উত্তরাঞ্চলের তিস্তা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় বাড়লেও ধরলার পানি কমেছে এবং দুধকুমার নদীর পানি আপাতত স্থিতিশীল রয়েছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হচ্ছে।