উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
চট্টগ্রামের রাউজানে মোটরসাইকেল চুরির সন্দেহে মোহাম্মদ করিমকে হত্যার ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গত ১৩ সেপ্টেম্বর ও পরদিন ১৪ সেপ্টেম্বর ধারাবাহিক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাদের দেওয়া তথ্যে অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল জানান, পারভেজসহ মামলার অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে এবং গ্রেপ্তার ও পলাতকদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সৈয়দ মোহাম্মদ শুক্কুর, মো. জাবেদ, মো. সেলিম ও মো. আলামিন। পুলিশ জানায়, শুক্কুর ও জাবেদকে চট্টগ্রাম নগরের চাঁদগাঁও থানার কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকা থেকে এবং সেলিম ও আলামিনকে হাটহাজারীর দক্ষিণ মাদার্শা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শুক্কুর ও জাবেদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাউজানের পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের মগদাই এলাকায় পারভেজের পরিত্যক্ত গরুর খামার থেকে একটি দেশীয় এলজি, একটি এয়ারগান, কার্তুজ, চাপাতি ও গ্রিল কাটার উদ্ধার করা হয়।
গত ৩ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে আটটার দিকে রাউজানের উরকিরচর ইউনিয়নের কেরানিহাট এলাকায় প্রকাশ্যে করিমকে হত্যা করা হয়। সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে এসে একদল ব্যক্তি তাকে ঘিরে ধরে প্রথমে গুলি করে এবং পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথা ও ঘাড়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়। তদন্তে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১০ দিন আগে পারভেজের মামা আজগরের একটি মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় করিমকে সন্দেহ করেছিলেন পারভেজ এবং মোটরসাইকেল ফেরত দিতে চাপ দিচ্ছিলেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় পারভেজ কৌশলে করিমকে কেরানিহাট বাজার এলাকায় ডেকে আনেন এবং সেখানে তাকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত মোহাম্মদ করিম রাউজানের উরকিরচর ইউনিয়নের হারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হলেও আমান বাজার এলাকায় বসবাস করতেন এবং তার বিরুদ্ধে চুরি ও ডাকাতিসহ ১০টি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া গ্রেপ্তার সেলিমের বিরুদ্ধে একটি চুরির মামলা, জাবেদের বিরুদ্ধে একটি অপহরণ মামলা এবং আলামিনের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে দুটি মামলা রয়েছে।