উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দায়িত্ব পালনকালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে সম্পাদিত সব নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতির নথিপত্র দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জমা দেওয়া হয়েছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর নথিপত্র তলব করে চিঠি দেওয়ার পর মন্ত্রণালয় থেকে এসব কাগজপত্র দুদকে পাঠানো হয়। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
দুদকের অনুসন্ধানে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ছাড়াও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন ও উপ-সচিব মো. মাসুম আহমেদসহ ডজনখানেক কর্মকর্তার নাম রয়েছে। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাপ্ত নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে আইন ও বিধির ব্যত্যয় ঘটেছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে।
আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার, নিয়োগ-পদায়ন বাণিজ্য এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে কমিশন গ্রহণের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি দাবি করেছেন, পাচারের অর্থের অংক নিয়ে অসংগতি রয়েছে এবং সরকার চাইলে নিয়ম অনুযায়ী তদন্ত করতে পারে।
এদিকে, নতুন করে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে নিয়োগ, জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদায়ন বাণিজ্য এবং বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের টেন্ডার নিয়ন্ত্রণের অভিযোগও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। দুদকের উপ-পরিচালক মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে গঠিত বিশেষ টিম এসব অভিযোগের অনুসন্ধান চালাচ্ছে।