উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
দেশে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবায় আমানত ও ঋণ বিতরণে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন শেষে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে খোলা হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৭২ লাখ ২৪ হাজার ২৫৬টিতে। আগের প্রান্তিকের তুলনায় এই সংখ্যা ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেড়েছে।
জুন মাস পর্যন্ত এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সংগৃহীত মোট আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ১৯ হাজার ৭২ দশমিক ৯২ মিলিয়ন টাকা। একই সময়ে ঋণ বিতরণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৮ হাজার ৭০৩ দশমিক ৯৭ মিলিয়ন টাকা। এক বছরের ব্যবধানে ঋণ বিতরণে ৪০ দশমিক ৮৯ শতাংশ শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে যুক্ত ৩০টি ব্যাংকের মধ্যে ২৩টি ব্যাংক বর্তমানে ঋণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিতরণ করা মোট ঋণের ৬৪ দশমিক ১৭ শতাংশ পেয়েছেন গ্রামীণ এলাকার গ্রাহকরা। তবে নারীরা পেয়েছেন মাত্র ৫২ হাজার ২ দশমিক ০৬ মিলিয়ন টাকা, যা মোট ঋণের ১২ দশমিক ৭২ শতাংশ।
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বিতরণেও এজেন্ট ব্যাংকিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। জুন শেষে এজেন্টদের মাধ্যমে বিতরণ করা মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১৪৯ দশমিক ০৪১ মিলিয়ন টাকা। এই রেমিট্যান্সের ৯০ দশমিক ৪৪ শতাংশই পেয়েছেন গ্রামীণ এলাকার সুবিধাভোগীরা।
বর্তমানে ১৫ হাজার ৪২৪ জন এজেন্টের মাধ্যমে মোট ২০ হাজার ৫৯৭টি আউটলেটে এই সেবা প্রদান করা হচ্ছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৭৭৬ জন নারী উদ্যোক্তার মালিকানাধীন ২ হাজার ১০৬টি আউটলেট রয়েছে। মোট হিসাবের প্রায় ৫০ শতাংশ বা ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫৮ হাজার ৯১৮টি হিসাব নারীদের।
২০১৩ সালে দুর্গম এলাকার মানুষের কাছে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে বাংলাদেশে এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু হয়। বর্তমানে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রাহকরা আমানত, ঋণ, রেমিট্যান্স এবং বিভিন্ন বিল পরিশোধসহ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধাও গ্রহণ করতে পারছেন।