উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এই আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। জাতীয় সংসদে বিএনপির সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলনের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এই তথ্য জানান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, রোহিঙ্গা সংকটের মূল কারণ এবং এর টেকসই সমাধান মিয়ানমারেই নিহিত। সংকটটি বৈশ্বিক আলোচনার কেন্দ্রে রাখতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিচার আদালত ও অপরাধ আদালতের চলমান প্রক্রিয়াগুলোতেও বাংলাদেশ সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছে।
বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, আগের সরকার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না নিয়ে লোকদেখানো তৎপরতায় সীমাবদ্ধ ছিল। বর্তমান সরকার দ্বিপক্ষীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দৃঢ় কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে সম্প্রতি জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ন কমিটি ও নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে সরকার আন্তরিক, তবে তা হতে হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে। সীমান্তে পুশ ইন বা অনুপ্রবেশের মতো ঘটনাগুলোকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং এ বিষয়ে ভারতের কাছে জোরালো প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এছাড়া বর্তমান সরকার বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোকে অধিকতর জবাবদিহিমূলক কার্যক্রমের আওতায় এনেছে।