উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
দেশে বিরাজমান সারসংকট নিয়ে জাতীয় সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র বিতর্ক হয়েছে। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে সরকারের বিতরণ ব্যবস্থাপনায় চরম ব্যর্থতার অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্যদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে দেশে সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কার্যপ্রণালিবিধির ৬৮ বিধিতে বিরোধী দলের সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমানের দেওয়া নোটিশের ওপর আজ বুধবার এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় অংশ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সদস্য নাজিবুর রহমান বলেন, সরকার সার কারখানাগুলো বন্ধ রেখে বেশি দামে জনগণের টাকায় সার কিনছে। পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরও কৃষকরা কেন সার পাচ্ছেন না, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।
জামায়াতের আরেক সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ অভিযোগ করেন, ন্যায্যমূল্যের চেয়ে বেশি টাকা দিয়েও কৃষকরা সার পাচ্ছেন না। তিনি ডিলার নিয়োগে বাণিজ্যের সমালোচনা করেন। এছাড়া, মাহবুবুল আলম এমপি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী ও রৌমারীতে গুদাম লুটের ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, সরকারের দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণেই কৃষকদের মধ্যে হাহাকার তৈরি হয়েছে।
বিরোধী দলের বক্তব্যের জবাবে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, স্বৈরাচার সরকারের সময় নিয়োগ পাওয়া ডিলাররা কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে। বর্তমানে ৩ হাজার ৭৫৯টি ডিলার পয়েন্ট শূন্য রয়েছে এবং নতুন ডিলার নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া, সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং ভারতে পাচারের চেষ্টাকালে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন জানান, দেশে বর্তমানে সারের মোট পরিমাণ ৫১ দশমিক ৭১ লাখ মেট্রিক টন, যা চাহিদা মিটিয়েও ১৫ দশমিক ৮৪ লাখ মেট্রিক টন উদ্বৃত্ত থাকবে। বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শরিফুল আলম বলেন, দেশে পর্যাপ্ত উৎপাদন ও আমদানি হচ্ছে, তবে ব্যবস্থাপনায় কিছু ত্রুটি থাকতে পারে যা নিরসনে কাজ চলছে।