উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর ধলপুরে মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইমরান হোসেনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার ৯ সেপ্টেম্বর রাজধানী মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের উপ-কমিশনার ডিসি মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী। এ ঘটনায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মূল হোতাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ।
গত ৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে যাত্রাবাড়ীর ধলপুরের বাদল সরদার গলিতে শরীফের গাড়িতে বসে ছিলেন ইমরান ও সাদ্দাম। এ সময় তিনটি মোটরসাইকেলে করে হেলমেট ও মাস্ক পরা একদল দুর্বৃত্ত সেখানে গিয়ে তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করে। এতে ঘটনাস্থলেই ইমরান নিহত হন এবং গুরুতর আহত সাদ্দাম বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় নিহত ইমরানের স্ত্রী বাদী হয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন এবং পুলিশ ঢাকা মহানগর ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়। ৮ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন পার গেন্ডারিয়াবাগ এলাকা থেকে মামলার মূল হোতা রিয়াজুল ইসলাম ওরফে রিয়াজ ওরফে কালিয়া রিয়াজকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার হেফাজত থেকে একটি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, পাঁচ রাউন্ড তাজা গুলি ও একটি ইয়ামাহা মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
রিয়াজের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডেমরা থানাধীন পাঠানডোগাই এলাকা থেকে কামরুল হাসান ও মোহাম্মদ সাইফুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের তথ্য অনুযায়ী ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে ককটেল ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ৮ সেপ্টেম্বর মিঠু ওরফে ডোবার মিঠুকে ইয়াবাসহ এবং ৯ সেপ্টেম্বর জামিল মিয়া ওরফে দোলনকে গ্রেপ্তার করা হয়। হত্যা মামলাসহ এ ঘটনায় মোট চারটি মামলা হয়েছে এবং পলাতকদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।