উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেকর্ড ভবন নির্মাণ প্রকল্পে অনুমোদিত প্যাকেজকে বিধিবহির্ভূতভাবে আটটি প্যাকেজে ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা বিল পরিশোধের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। দুদকের অভিযানে অন্তত চারটি প্যাকেজের কাজের কোনো ভৌত অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। কাজের অস্তিত্ব না থাকলেও বিল পরিশোধের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষতিসাধনের সত্যতা মিলেছে।
বুধবার ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৪-এ অভিযান চালিয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংগ্রহ ও কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এমন তথ্য পেয়েছে দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান যে, প্রকল্পের কাজের ক্ষেত্রে প্যাকেজ বিভাজনে অনিয়ম, ই-জিপি টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কারসাজি, কাজের অস্তিত্ব ছাড়া বিল পরিশোধ এবং সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগে এই অভিযান চালানো হয়।
দুদকের সংগৃহীত নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, ডিপিপি, আরডিপিপি কিংবা হেড অব প্রোকিউরমেন্টের অনুমোদন ছাড়াই একই খাতের কাজকে আটটি পৃথক প্যাকেজে বিভক্ত করে ই-জিপির মাধ্যমে দরপত্র আহ্বান করা হয়। পরে এসব প্যাকেজের কার্যাদেশ দেওয়া হয় আটটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে এবং তাদের অনুকূলে মোট ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা বিল পরিশোধ করা হয়।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জন্য রেকর্ড ভবন নির্মাণ প্রথম সংশোধিত শীর্ষক প্রকল্পটির মোট প্রাক্কলিত মূল্য ছিল ২৭৯ কোটি ৫৮ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। বিভাজিত আটটি প্যাকেজের মধ্যে জাজেস স্পোর্টস কমপ্লেক্সের পাশে নতুন বেকারি ও ক্যান্টিন নির্মাণ, অস্থায়ী ট্রিপল ওয়ার্ক স্থাপন, ভেন্যু সংস্কার, গাইড ওয়াল অপসারণ, অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণ এবং বালু ভরাটসহ বিভিন্ন কাজ অন্তর্ভুক্ত ছিল।