উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
সংসদে সরকারি দল বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসংকটের জন্য অতীতের ভুল নীতি, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেছে। সংকট উত্তরণে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে জানানো হয়েছে যে, লক্ষ্য হলো ২০২৭ সালে কিছুটা স্বস্তি, ২০২৮ সালে আরও স্বস্তি এবং ২০৩০ সালের মধ্যে জ্বালানিসংকটমুক্ত পরিস্থিতি তৈরি করা। গতকাল জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসংকট নিয়ে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন যে এই ভোগান্তি তাদের সৃষ্টি নয়, বরং বিগত ১৭ বছরের জঞ্জাল ও পূর্ববর্তী সিস্টেমের গ্লোবালি সৃষ্টি করা ফল। আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ চুক্তির বিষয়ে তিনি জানান যে রাতারাতি চুক্তি বাতিল করা সম্ভব নয়, কারণ এটি বন্ধ করা হলে আন্তর্জাতিক সালিসে যেতে হবে এবং সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে। তবে বর্তমান সরকার তিনটি রেন্টাল পাওয়ার কোম্পানিকে নো ক্যাপাসিটি চার্জের শর্তে অনুমোদন দিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম বলেন যে বিগত দিনের ভুল নীতি ও দুর্নীতির কারণে বর্তমান সংকট তৈরি হলেও সরকার বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ নিচ্ছে। গভীর সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধান ও ১৫০টি কূপ খননের উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ২০৩১ সালের মধ্যে এসব কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে। এছাড়া পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোয়ায়েদ সাকি বিগত সরকারের সমালোচনা করে বলেন যে জ্বালানি নীতি কতিপয় পোষ্য ব্যক্তির সুবিধার জন্য গ্রহণ করা হয়েছিল।
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান সংকট সমাধানে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সমন্বয়ে একটি টাস্কফোর্স বা সেল গঠনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন যে সরকার সহযোগিতা চাইলে তারা কারিগরি বিশেষজ্ঞ দল দিতে প্রস্তুত এবং তারা কোনো ক্রেডিট চান না, বরং সমস্যার সমাধান চান। অন্যদিকে জামায়াতের সংসদ সদস্য মো. নাজিবুর রহমান বলেন যে মানুষ বিল ও কর দেয়, তাই বিলের টাকায় তাদের ঘরে আলো ও চুলায় আগুন থাকা নিশ্চিত করতে হবে।