উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
চট্টগ্রামের হাটহাজারী ও বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় বিদেশি ফোন নম্বর ব্যবহার করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার গভীর রাত থেকে টানা ২৪ ঘণ্টা হাটহাজারী, বায়েজিদ বোস্তামী ও খুলশী থানার বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে তাদের কাছ থেকে চাঁদাবাজিতে ব্যবহৃত চারটি ফোন এবং একটি তলোয়ার, একটি চাপাতি, একটি ছুরি ও একটি টিপছোরাসহ মোট চারটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন কামরুল হাসান ওরফে সাগর, মো. রিকু, আহমদুল্লাহ ওরফে মাসুম মেম্বর, আহমদ রেজা শাকিল, মো. মানিক, মো. তরিকুল ইসলাম ওরফে রোহিত এবং নুরুল আলম। পুলিশের দাবি, এরা চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমন, কালা মোবারক, বড় সাজ্জাদ ও রায়হানের নাম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের ভীতি প্রদর্শন করতেন। নিজেদের পরিচয় আড়াল করতে তারা বিদেশি নম্বর দিয়ে খোলা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ করতেন এবং সম্প্রতি হাটহাজারীর এক চিকিৎসকের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন।
পুলিশ জানায়, চাঁদা না দিলে পুলিশ পাহারায় থাকলেও ওই চিকিৎসককে হত্যা করার হুমকি দেওয়া হয়েছিল এবং বড়দীঘির পাড় এলাকার এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকেও একই কায়দায় চাঁদা দাবি করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং পূর্বে গ্রেপ্তার শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন ও কালা মোবারককে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের সূত্র ধরে পুলিশ এই চক্রটিকে শনাক্ত করে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে আহমদ রেজা শাকিলের বিরুদ্ধে আটটি এবং মো. মানিকের বিরুদ্ধে দুটি মামলা রয়েছে, আর বাকিদের বিরুদ্ধেও চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।