উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
সরকার বেআইনি কিছু করেনি এবং আইনগতভাবেই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি জানান, সরকারের মনে হয়েছে এর মাধ্যমেই ভালো রিক্রুটমেন্ট বা নিয়োগ সম্ভব। তবে কোনো নিয়োগের পর সুনির্দিষ্ট অনিয়ম বা অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গণমাধ্যমকে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।
দেশের সারের মজুত নিয়ে কোনো সংকট নেই বলে জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, বর্তমানে ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি মিলিয়ে মোট সারের মজুত ১২ লাখ ২৯ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন। গত বছরের একই সময়ে মজুত ছিল প্রায় সাড়ে ১১ লাখ মেট্রিক টন। তবে দেশের কিছু এলাকায় বিতরণগত সমস্যা হয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন।
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতা বাড়ানোর তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, চলতি অর্থবছরে এ কর্মসূচির মেয়াদ এক মাস বাড়িয়ে ছয় মাস করা হয়েছে এবং উপকারভোগীর সংখ্যা ৫৫ লাখে উন্নীত করা হয়েছে। এছাড়া জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে ইস্টার্ন রিফাইনারির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের মাধ্যমে পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৪৫ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করা হবে।
মঙ্গলবারের (৮ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের চিহ্নিত ৬১টি শুল্কবহির্ভূত বাণিজ্য বাধার মধ্যে ৪৮টি সমাধান করেছে বাংলাদেশ। সরকারি চাকরিতে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের নিয়োগের ভাইভায় নম্বর বাড়ানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চাকরির জন্য শুধু বইয়ের জ্ঞান যথেষ্ট নয়, বরং একজন প্রার্থীর অন্যান্য যোগ্যতা ও অ্যাপটিটিউডও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।