উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ঝালকাঠি সদর উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের রুপসিয়া গ্রামে উত্তম কৃষি চর্চা (জিএপি) অনুসরণ করে লাউ চাষে দারুণ সাফল্য পেয়েছেন দুই কৃষক কামরুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান। গাবখান নদীসংলগ্ন রুপসিয়া গ্রামে তাদের মাচাজুড়ে এখন ঝুলছে সারি সারি লাউ। নিরাপদ উপায়ে লাউ চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তারা।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের ‘পার্টনার’ কর্মসূচির আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে খরিফ মৌসুমে যৌথভাবে ১০০ শতক জমিতে লাউ চাষ শুরু করেন কামরুল ও মিজানুর। কৃষক মাঠ স্কুল থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে তারা জমিতে রাসায়নিকের পরিবর্তে শতভাগ জৈব সার ব্যবহার করছেন। এছাড়া ক্ষতিকর পোকামাকড় দমনে ব্যবহার করছেন সেক্স ফেরোমন ও আঠালো ফাঁদ।
ইতোমধ্যে ক্ষেত থেকে ২০০টির বেশি লাউ বিক্রি করে ভালো দাম পেয়েছেন এই দুই চাষি। বর্তমানে ক্ষেতে আরও দুই শতাধিক লাউ ঝুলছে। কৃষক কামরুল ইসলাম জানান, বড় কোনো বন্যা না হলে লাউ চাষ থেকে বছরে সব খরচ বাদ দিয়ে প্রায় তিন থেকে চার লাখ টাকা আয় করা সম্ভব। ভবিষ্যতে চাষ আরও বাড়াতে তারা ১০ বিঘা জমি প্রস্তুত করছেন।
ঝালকাঠি সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলী আহমেদ জানান, কামরুল ও মিজানুরের লাউ বাগানে কৃষি বিভাগ থেকে নিয়মিত পরামর্শ ও উন্নত জাতের বীজ দিয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে। চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৪০ হেক্টর জমিতে লাউয়ের আবাদ হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য এক কোটি টাকার বেশি।