উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
নতুন সম্পত্তি হস্তান্তর আইন নিয়ে বিরোধী দল ও ধর্মীয় সংগঠনগুলোর তোলা আপত্তিকে ভুল ব্যাখ্যা বলে অভিহিত করেছেন আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, এই আইনের মাধ্যমে শরিয়াহ বা ইসলামিক আইনকে কোনোভাবেই লঙ্ঘন করা হয়নি, বরং বৃদ্ধ বয়সে বাবা-মায়ের সুরক্ষার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আইনটির কার্যকারিতা ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, নতুন আইনের অধীনে কোনো বাবা যদি তাঁর সন্তানকে সম্পত্তি দান করেন, তবে সন্তানই সেটির আইনগত মালিক হবেন। তবে বাবা জীবিত থাকা অবস্থায় সেই সম্পত্তি ভোগ করতে পারবেন। দাতা সেই সম্পত্তি বিক্রি বা বন্ধক দিতে পারবেন না, কেবল ভোগাধিকার পাবেন।
আসাদুজ্জামান জানান, শেষ বয়সে সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার পর অনেক বাবা-মা অসহায় হয়ে পড়েন। এমনকি অনেককে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটে। মূলত এই ধরনের সামাজিক সমস্যা থেকে বাবা-মাকে সুরক্ষা দিতেই আইনটি সংসদে আনা হয়েছে।
তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, প্রচলিত হেবা আইনের ওপর কোনো শর্ত বসানো হয়নি এবং একে সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। আইনটি করার ক্ষেত্রে সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, জর্ডান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন মুসলিম দেশের আইনি রেফারেন্স ব্যবহার করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।