উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, তাদের কর্মসূচির ওষুধ ইতিমধ্যে কাজ করতে শুরু করেছে এবং বিভিন্ন জায়গায় তার প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। আজ শনিবার সকালে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ১১–দলীয় ঐক্যের চট্টগ্রাম অভিমুখী লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এই কথা বলেন। জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেললে জনগণ কাউকে ছাড় দেবে না বলে তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
শাপলা চত্বরে সমাবেশের পর আজ সকাল নয়টায় নারায়ণগঞ্জের চিটাগাং রোডের ট্রাকস্ট্যান্ড এলাকায় প্রথম পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর সাড়ে ১২টায় কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে দ্বিতীয় পথসভা এবং জোহরের নামাজ ও খাবারের বিরতির পর চৌদ্দগ্রাম, ফেনীর মহিপাল ও চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পথসভা নির্ধারিত রয়েছে। সবশেষে সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে সমাপনী সমাবেشیর মাধ্যমে এই লংমার্চ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট নিরসন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধসহ ছয়টি দাবিতে এই লংমার্চ চলছে। এর সঙ্গে জামায়াতের আমির সপ্তম দফা যুক্ত করে জানান যে কোনো চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজের অস্তিত্ব বরদাশত করা হবে না। লংমার্চের পথে কোনো বাধাকেই পরোয়া করা হবে না এবং ১৮ কোটি মানুষের অধিকার না ফেরা পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে।
সমাবেশে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, নতুন করে যারা স্বৈরাচার হতে চাচ্ছে তাদের পথ বন্ধ করতেই এই লংমার্চ শুরু হয়েছে। এলডিপি সভাপতি অলি আহমদ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, এখনই সতর্ক না হলে তাদেরও অন্যদের মতো দেশ ছেড়ে পালানোর পরিণতি বরণ করতে হবে। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, লংমার্চে বাধা দিলে সরকার জনরোষের মুখে পড়তে পারে।