উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশের ব্যাংকিং খাতে গ্রাহকদের ধর্মীয় ও আর্থিক প্রয়োজন অনুযায়ী সেবা বেছে নেওয়ার সুযোগ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ডুয়াল ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু করেছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই এই ডুয়াল ব্যাংকিং ব্যবস্থার পরিধি আরও বিস্তৃত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বলে তিনি জানান। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে ঢাকা-৪ আসনের বিরোধী দলের সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই তথ্য তুলে ধরেন।
মন্ত্রী জানান, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকগুলোকে মোট ১ হাজার ৬৯৯টি শাখার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে শহরাঞ্চলে ১ হাজার ৭৪টি এবং গ্রামাঞ্চলে ৬২৫টি শাখা রয়েছে। এসব শাখার মধ্যে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের ৪০০টি, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের ২২৬টি, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ১৪১টি এবং স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকের ১৩৮টি শাখা রয়েছে। এছাড়া সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ৭৬১টি শাখার মধ্যে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ২০৬টি, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ১৮১টি এবং এক্সিম ব্যাংকের ১৫৫টি শাখা রয়েছে।
সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের বাকি শাখাগুলোর মধ্যে ইউনিয়ন ইসলামী ব্যাংকের ১১৪টি, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের ১০৫টি এবং আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকের ৩৩টি শাখা রয়েছে। অর্থমন্ত্রী আরও জানান যে, বর্তমানে দেশের ৩৫টি প্রচলিত কনভেনশনাল ব্যাংকে মোট ৭৫টি ইসলামী ব্যাংকিং শাখা এবং ১ হাজার ১০২টি ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডো চালু রয়েছে। গ্রাহকদের শরিয়াহভিত্তিক সেবা দেওয়ার অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে আরও দুটি কনভেনশনাল ব্যাংককে ইসলামী ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।