উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম বন্দরের কৌশলগত গুরুত্ব অপরিসীম। এই প্রেক্ষাপটে বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল ও চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ দেশের অর্থনীতি ও সার্বভৌমত্বের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা এই চুক্তির বিষয়টি জাতীয় স্বার্থের নিরিখে পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন।
সিপিবি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন বলেন, বিদেশিদের হাতে বন্দর ছেড়ে দিলে অর্থনৈতিক বা জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে—এমন কোনো প্রমাণ নেই। জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে কোনো বিদেশি শক্তির কাছে নতি স্বীকার করা হবে না বলে তিনি সরকারকে সতর্ক করেন। বাসদ সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ জানান, বিদেশি অপারেটর এলেই সক্ষমতা বাড়বে—এই ধারণা ভুল, কারণ বর্তমান যন্ত্রপাতি দিয়েই বন্দরের কার্যক্রম পরিচালনা সম্ভব।
বন্দর রক্ষা ও করিডরবিরোধী আন্দোলনের আহ্বায়ক এম এ সাঈদ সভায় সভাপতিত্ব করেন। তিনি বলেন, বন্দর রক্ষায় রাজনৈতিক দল, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। অনুষ্ঠানে বন্দর রক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে একটি লিখিত বক্তব্য পাঠ করা হয়। ছাত্র ইউনিয়নের নেতা মাহির শাহরিয়ার রেজার সঞ্চালনায় সভায় সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।