উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সরকারি দল, তাদের সহযোগী সংগঠন কিংবা প্রশাসনের কোনো অংশ বিরোধী দলের লংমার্চে প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি করলে সরকার জনআস্থা আরও হারাবে। জনরোষের মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হবে। তবে সরকারি দল সে পথে হাঁটবে না বলে আশা প্রকাশ করেছেন জামায়াতের এই নেতা। আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। তিনি ১১-দলীয় ঐক্যের লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক এবং আগামীকাল শনিবার ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে এই লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিরোধী দল সংসদের ভেতরে ও বাইরে নিয়মতান্ত্রিক ও গঠনমূলক আন্দোলন করছে এবং লংমার্চও হবে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি। সরকার উৎখাতের কোনো আন্দোলন তাঁরা করছেন না। সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, কর্মসূচি সফল করতে প্রশাসনিক সহযোগিতা দিয়ে জনগণের আস্থা বজায় রাখা উচিত। আগামীকাল সকাল সাতটা থেকে আটটার মধ্যে শাপলা চত্বরে প্রথম সমাবেশ হবে এবং সর্বশেষ সমাবেশ হবে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে। যানজট বা অন্য কোনো সমস্যা না হলে সন্ধ্যা সাতটার দিকে লংমার্চের বহর সেখানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, এখন পর্যন্ত লংমার্চ ঘিরে নাশকতা বা বিশৃঙ্খলার কোনো আশঙ্কা তাঁরা করছেন না। ১১ দল ঐক্যবদ্ধ আছে এবং সবাই একসঙ্গে লংমার্চে গেলে দুষ্কৃতিকারীরাও ভয় পাবে। তবে ন্যূনতম কোনো বিশৃঙ্খলা বা হামলা হলে এর দায় সরকারি দলকে নিতে হবে বলে মন্তব্য করে তিনি জানান যে এমন ঘটনার শক্ত জবাব দেওয়া হবে। এর আগে বেলা ১১টার দিকে লংমার্চের প্রস্তুতি নিয়ে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।