উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার শিল্প ও জনবহুল পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি একটি পূর্ণাঙ্গ কালারপোল থানা। ১৯৭৮ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘোষণার পর ১৯৮১ সালে থানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলেও ৪৫ বছরেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ঝুলে থাকা এই প্রকল্পটি বর্তমানে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির একনেকের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
১৯৭৮ সালে কালারপোল হাই স্কুল মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কালারপোল পুলিশ ফাঁড়িকে পূর্ণাঙ্গ থানায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন। এরপর ১৯৮১ সালের ১০ নভেম্বর তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী জামাল উদ্দিন আহমেদ নতুন থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা থানার জন্য স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রায় ৭ কানি জমিও দান করেছিলেন।
২০০২ সালের ২৯ মার্চ কালারপোল থানা বাস্তবায়ন কমিটির তৎকালীন সভাপতি মো. ইলিয়াস মমতাজ ও সাধারণ সম্পাদক ননী গোপাল মল্লিকের প্রচেষ্টায় তদন্ত কেন্দ্রের কার্যক্রম শুরু হয়। কুসুমপুরা, জিরি, কোলাগাঁও ও হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত হতে যাওয়া এই এলাকায় এখন একাধিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, শিপইয়ার্ড ও পোশাক কারখানা রয়েছে। পটিয়া সদর থানা থেকে দূরত্ব বেশি হওয়ায় স্থানীয়দের সেবা নিতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।
কালারপোল উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির সাধারণ সম্পাদক হারুন কানন জানান, পূর্ণাঙ্গ থানা না থাকায় চুরি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধ নিয়ে মানুষের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম বলেছেন, কালারপোল থানাকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে তার সর্বোচ্চ আন্তরিকতা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তিনি দ্রুত এই বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন।