উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ও সিসিটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে দীর্ঘমেয়াদে ইজারা দেওয়া হলে দেশের অর্থনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তায় দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা এই আশঙ্কা প্রকাশ করেন। বন্দর রক্ষা ও করিডোর বিরোধী আন্দোলন এবং বন্দর রক্ষা কমিটি, চট্টগ্রাম যৌথভাবে এই সভার আয়োজন করে।
বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অঞ্চল যার আশপাশে নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও জ্বালানি অবকাঠামো রয়েছে। বন্দর পরিচালনার সঙ্গে বাণিজ্যিক তথ্য ও জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি জড়িত থাকায় দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে জাতীয় নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। চুক্তির শর্ত জাতীয় স্বার্থের অনুকূলে না হলে রাষ্ট্রকে আইনি ও কূটনৈতিক জটিলতায় পড়তে হতে পারে।
সভায় জানানো হয়, এনসিটি ও সিসিটি দেশের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত রাষ্ট্রীয় সম্পদ এবং দীর্ঘদিন ধরে দেশীয় জনবল সফলভাবে এগুলো পরিচালনা করে আসছে। চূড়ান্ত ইজারা চুক্তির আগেই কনটেইনার হ্যান্ডলিং চার্জ প্রায় ৩৭ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে, যা আমদানি-রপ্তানি ব্যয় বাড়িয়ে দেবে। এতে শিল্প উৎপাদন ও ভোক্তা পর্যায়ে পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে বক্তারা উল্লেখ করেন।
সভায় বক্তব্য দেন বন্দর রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার, তপন দত্ত, কাজী শেখ নুরুল্লা বাহার, ইফতেখার কামাল খান, তমলিম হোসেন সেলিম ও আবু তাহের খান। বক্তারা বলেন, বিদেশি অপারেটর নিয়োগ করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে দুর্নীতি কমে না বা সক্ষমতা বাড়ে না। প্রশাসনিক জবাবদিহি ও তদারকি নিশ্চিত করে দেশীয় ব্যবস্থাপনাতেই বন্দরের কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ করা সম্ভব।