উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
গত মঙ্গলবার জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন ৬৫০ জন ব্যক্তি, যাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমান। তাঁর এই যোগদানের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র বিতর্ক ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে অপসারিত হয়েছিলেন এই বিচারপতি।
জামায়াতে ইসলামীর একজন নেতা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহকারী (রাজনৈতিক) রাশেদ খাঁন ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এই যোগদানের সমালোচনা করেছেন। তিনি ব্যঙ্গ করে লিখেছেন, জামায়াত অপরাধী ও বিতর্কিতদের পুনর্বাসন করে তাদের পরিশুদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে এক নারী নির্যাতন মামলায় জামিন করিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছিল বিচারপতি শাহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি কে এম হাসানের নেতৃত্বে গঠিত সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের তদন্তের ভিত্তিতে ২০০৪ সালে রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ তাঁকে হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারকের পদ থেকে অপসারণ করেন।
যদিও অপসারণের পর শাহিদুর রহমান দাবি করেছিলেন, তিনি কুৎসিত রাজনীতির শিকার এবং তাঁকে বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে। পরবর্তী সময়ে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হলেও ২০১৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপতির অপসারণের আদেশই বহাল রাখেন, যার ফলে তাঁর বিচারকের পদে ফেরার পথ চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়।