উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, গুম প্রতিকার ও প্রতিরোধ আইনটি ২০২৫ সালের অধ্যাদেশের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও কার্যকর। বুধবার রাতে বিল সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির রিপোর্ট উপস্থাপনকালে তিনি বলেন, নতুন এই আইনে গুমের শিকার ব্যক্তি বা তাদের পরিবারকে সরাসরি আদালতে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা আগের চেয়ে অনেক সহজতর।
নতুন আইনে গুমের বিভিন্ন ধরন সুনির্দিষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, জরিমানা ও ক্ষতিপূরণের বিধান রাখা হয়েছে। মন্ত্রী আরও জানান, গুমের ঘটনায় দায়ী ব্যক্তির সম্পত্তি না থাকলেও ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দায় সরকারের ওপর বর্তাবে, এছাড়া ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের নিরাপত্তার বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়েছে।
আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়া নিয়ে মন্ত্রী বলেন, আইনমন্ত্রী মানবাধিকার কমিশন আইনটি সংসদে আনার আগে কয়েক মাস সময় নিয়েছেন এবং বিদেশি কূটনৈতিক মিশন, ইউএনডিপি ও মানবাধিকার সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার পাশাপাশি স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই আইনটি তৈরি করা হয়েছে, তবে সংসদীয় আলোচনার মাধ্যমে সংশোধনের সুযোগ এখনো রয়েছে।
ব্যারিস্টার আরমানের স্বাধীন তদন্ত সংস্থা গঠনের দাবির প্রেক্ষিতে মন্ত্রী বলেন, মানবাধিকার কমিশনের আইনে বিনা নোটিশে তদন্ত বা পরিদর্শনে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। গুমের ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারে থাকবে এবং জাতি দেখুক যে সবার আলোচনার মাধ্যমেই এই আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।