উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
চট্টগ্রাম নগরের হালিশহরে সাংবাদিক ও পুলিশ পরিচয়ে এক নারীর বাসায় ঢুকে চাঁদাবাজি, শ্লীলতাহানি ও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে হালিশহর থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী নারী। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় দুই অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার ভুক্তভোগী আনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে হালিশহর থানায় মামলাটি করেন।
মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে হালিশহর থানাধীন শান্তিরহাট এলাকার শামীম আবাসিকের জাদেক আলী ডাক্তারের বিল্ডিংয়ের নিচতলার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় বাসায় আনোয়ারা বেগম ও তার দুই ছেলের স্ত্রী ছিলেন এবং তার স্বামী ও ছেলেরা বাসায় ছিলেন না। শাখাওয়াত হোসেন ও মো. মঈনুদ্দীনসহ পাঁচজন জোরপূর্বক ওই বাসায় প্রবেশ করেন এবং নিজেদের সাংবাদিক ও পুলিশ পরিচয় দিয়ে ভয়ভীতি দেখাতে থাকেন।
অভিযুক্তরা বাসায় অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে বলে অভিযোগ তুলে আনোয়ারা বেগম ও তার দুই পুত্রবধূর ভিডিও ধারণ করেন এবং এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা ঘরের আসবাবপত্র তছনছ করেন এবং আনোয়ারা বেগমকে ধাক্কা দিয়ে রুমের মধ্যে ফেলে শ্লীলতাহানি করেন। ভুক্তভোগীদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাদেরও হুমকি দিতে থাকেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে হালিশহর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ শাখাওয়াত হোসেন ও মো. মঈনুদ্দীনকে আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ব্যবহৃত ওয়াকিটকি ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয় এবং বাকি তিনজন পালিয়ে যান। হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জয়নাল আবেদিন মন্ডল জানান, জব্দ করা আলামতসহ আটক আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।