উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নাম ও ছবি ব্যবহার করে পরিচালিত ১৩৭টি ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, পেজ ও গ্রুপ শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের ফ্যাক্টচেকিং ইউনিট ‘বাংলাফ্যাক্ট’। একইসঙ্গে সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের অনুকরণে অপতথ্য ছড়ানো ১৬টি ওয়েবসাইট এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারকারী ৩০০টির বেশি ফেসবুক ও ১০০টি এক্স অ্যাকাউন্টও শনাক্ত করা হয়েছে। বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অধিবেশন চলাকালে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অনুপস্থিত থাকায় তার পক্ষে প্রতিমন্ত্রী সংসদকে এসব তথ্য অবহিত করেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য শনাক্ত করতে তথ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে একটি সমন্বিত ফ্যাক্টচেকিং ও তথ্য যাচাই কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। পিআইডির প্রধান কার্যালয়ে গঠিত ‘ফ্যাক্ট চেকিং ও গুজব প্রতিরোধ কমিটি’ সার্বক্ষণিকভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে এবং অপতথ্য শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সরকারি স্পষ্টীকরণ প্রচার করা হচ্ছে। পাশাপাশি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ অন্য সংস্থা পিআইবিও গুজব মোকাবিলায় ফ্যাক্টচেকিং ও মিডিয়া অ্যানালাইসিস কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
সংসদে উপস্থাপিত তথ্যানুযায়ী, পিআইবির ফ্যাক্টচেকিং ইউনিট বাংলাফ্যাক্ট এ পর্যন্ত ৮৬০টি ফ্যাক্টচেক, বিশ্লেষণ, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং ভিডিও বা রিল প্রকাশ করেছে। যার মধ্যে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মোট ৩০৬টি ফ্যাক্টচেক সম্পন্ন করা হয়েছে এবং ইউনিটটি বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ৩ থেকে ৫টি দাবির সত্যতা যাচাই করছে। ভুয়া অনলাইন অ্যাকাউন্ট শনাক্তের পাশাপাশি সাংবাদিকদের দক্ষতা বাড়াতেও সরকার কাজ করছে বলে জানানো হয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ৬৪ জেলায় ১৪১টি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়, যার মাধ্যমে ৬ হাজার ৭৭৪ জন সাংবাদিককে প্রশিক্ষণ দিয়েছে পিআইবি। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০টি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ৭৩৯ জন সাংবাদিক অংশ নেন, যার মধ্যে ১৪টি প্রশিক্ষণ ছিল ডিজিটাল সাংবাদিকতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ফ্যাক্টচেকিং বিষয়ের ওপর।