উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য শনাক্ত করতে সরকারি তথ্য ব্যবস্থায় সমন্বিত ফ্যাক্টচেকিং কাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য জানান তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন এবং আন্দালিভ রহমান পার্থের অনুপস্থিতিতে মন্ত্রীর পক্ষে এই জবাব দেওয়া হয়।
লিখিত জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্য রোধে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন তথ্য অধিদপ্তর (পিআইডি) একটি সমন্বিত ফ্যাক্টচেকিং ও তথ্য যাচাই কাঠামো গড়ে তুলেছে। তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে একটি কেন্দ্রীয় ‘ফ্যাক্টচেকিং ও গুজব প্রতিরোধ কমিটি’ সার্বক্ষণিক কার্যরত রয়েছে। এই কমিটির দিকনির্দেশনায় প্রধান কার্যালয় ও আঞ্চলিক অফিসগুলো অনলাইন প্ল্যাটফর্ম মনিটর করে বস্তুনিষ্ঠ সরকারি ফ্যাক্টচেক বার্তা ও স্পষ্টীকরণ বিজ্ঞপ্তি প্রচার করে থাকে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) গুজব রোধে ফ্যাক্টচেক ও মিডিয়া অ্যানালাইসিস কার্যক্রম পরিচালনা করছে। পিআইবির ফ্যাক্টচেকিং ইউনিট ‘বাংলাফ্যাক্ট’ এ পর্যন্ত ৮৬০টি ফ্যাক্টচেক, বিশ্লেষণ, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং ভিডিও প্রকাশ করেছে যার মধ্যে ৩০৬টি বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর করা হয়েছে। এ ছাড়া পিআইবির প্রশিক্ষণ বিভাগ ১ অক্টোবর ২০২৪ থেকে জুন ২০২৬ পর্যন্ত ৬৪ জেলায় মোট ১৪১টি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ৬ হাজার ৭৭৪ জন সাংবাদিককে প্রশিক্ষণ দিয়েছে।
লিখিত জবাবে জানানো হয়, বাংলাফ্যাক্ট ফেসবুক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ও নাম ব্যবহার করে পরিচালিত ১৩৭টি ভুয়া অ্যাকাউন্ট, পেজ ও গ্রুপ চিহ্নিত করেছে। পাশাপাশি সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের অনুকরণে অপপ্রচার চালানো ১৬টি ওয়েবসাইট এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো তিন শতাধিক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও একশ এক্স অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। বর্তমানে বাংলাফ্যাক্ট প্রতিদিন গড়ে ৩ থেকে ৫টি দাবির সত্যতা যাচাই করে প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।