উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক মর্যাদা, সম্মান, বোঝাপড়া ও উভয় দেশের জনগণের কল্যাণের ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে বাংলাদেশ আগ্রহী। বুধবার ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এই কথা জানান জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম। তিনি স্পষ্ট জানান যে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েই প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করা হবে।
চিফ হুইপ বলেন, বাংলাদেশের এক ইঞ্চি মাটিও যেমন অন্য দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার হতে দেওয়া হবে না, তেমনি প্রতিবেশী দেশের ভূখণ্ডও যেন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত না হয়। ভারতে আশ্রয় নেওয়া নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত ১৭ বছর গুম, খুন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িতদের মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য কোনো আশ্রয় না দিতে ভারতকে আহ্বান জানানো হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর উভয় দেশের পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং সুবিধাজনক সময়ের ওপর নির্ভর করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিস্তা নদীর পানি বণ্টনসহ ৫৪টি অভিন্ন নদীর সমস্যা নিয়ে তিনি বলেন, ভাটির দেশ হিসেবে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে পানি সংকটে রয়েছে এবং ভারত মানবিক দৃষ্টیکिकोण থেকে এই সংকটের সমাধান করবে বলে আশা করা হয়। সীমান্তে প্রাণহানি অত্যন্ত দুঃখজনক উল্লেখ করে তা বন্ধে ভারতকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া দুই দেশের সংসদীয় কার্যক্রমে অভিজ্ঞতা বিনিময়ে ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গঠনে কোনো আপত্তি নেই বলে তিনি জানান।
সংসদে উত্থাপিত বিল নিয়ে বিস্তর আলোচনার সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে চিফ হুইপ রাজপথে সংঘাতের বদলে সংসদকে বিতর্ক ও মতবিনিময়ের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার আহ্বান জানান। গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে তিনি সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ ভূমিকা পালনের অনুরোধও জানান।