উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ না করায় সম্প্রতি দেশে মসলা, ঘিসহ বেশ কিছু পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহার করতে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন বা বিএসটিআই। বাংলাদেশে খাদ্য সংক্রান্ত ১২১টি প্যাকেটজাত পণ্যের তদারকি করে বিএসটিআই এবং নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ সব ধরনের খাদ্যের বিষয়ে তদারকির দায়িত্ব পালন করে থাকে। একজন ভোক্তা অন্তত তিন বা চারটি উপায়ে প্যাকেটজাত খাবারের মান ঠিক রয়েছে কিনা অথবা সেটিতে কোনো ভেজাল আছে কিনা তা বুঝতে পারবেন।
কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান জানান, প্যাকেটজাত পণ্যের গায়ে থাকা কিউআর কোড মোবাইলে স্ক্যান করলেই পণ্য সম্পর্কে জানা সম্ভব। সুপারশপে সাধারণত নিয়ম মেনে পণ্য কেনা হয় বলে সেখানে অথেনটিক পণ্য পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তবে যত গ্রামের দিকে যাওয়া যাবে ততই সাব-স্ট্যান্ডার্ড প্রডাক্ট পাওয়ার আশঙ্কা থাকে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বিএসটিআই-এর মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক জানান, প্রডাক্টটি জেনুইন হলে কিউআর কোডে সব বিস্তারিত তথ্য চলে আসবে এবং নকল হলে কিউআর কোডে ডিটেইলস তথ্য আসবে না। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী প্যাকেটজাত খাদ্যের প্যাকেটে আইটেমের নাম, উৎপাদনকারীর ঠিকানা, ওজন, উৎপাদন ও মেয়াদের তারিখ এবং উপাদানের তথ্য থাকা বাধ্যতামূলক। প্যাকেটের ধরন এয়ারটাইট বা বায়ু নিরোধক প্যাকেট হতে হবে এবং লুজ প্যাকেট বা বাতাস ঢোকা প্যাকেট বিএসটিআই অনুমোদন দেয় না।
নির্ধারিত মান অনুযায়ী উত্তীর্ণ হলেই কোনো কোম্পানিকে লাইসেন্স দেয়া হয় এবং মান থেকে বিচ্যুত হলে কারণ দর্শানোর নোটিশ ও পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে মাত্র ২৩টিতে বিএসটিআই-এর কার্যালয় রয়েছে এবং লোকবল স্বল্পতার কারণে সব জায়গায় নিবিড় মনিটরিং করা কঠিন। যেসব কোম্পানি বিএসটিআই লাইসেন্স ছাড়াই পণ্য উৎপাদন ও বিক্রি করে, তাদের কারখানা সিলগালা করাসহ জরিমানা এবং মামলা করা হয়।