উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসা ও আর্থিক কার্যক্রম পুনর্গঠনে নীতি সহায়তার অংশ হিসেবে বিশেষ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনে বাড়তি সুবিধা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে নীতি সহায়তা পাওয়া ঋণগ্রহীতারাও নতুন নির্দেশনায় বড় ঋণগ্রহীতাদের জন্য নির্ধারিত অতিরিক্ত মেয়াদ ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। ইতোমধ্যে অতিবাহিত গ্রেস পিরিয়ডও নির্ধারিত গ্রেস পিরিয়ডের অংশ হিসেবে গণনা করে প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত মেয়াদ বাড়ানো যাবে।
নতুন নির্দেশনায় বলা হয়, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে নতুন করে নীতি সহায়তার জন্য আবেদন করা যাবে। ইতোমধ্যে নীতি সহায়তা পাওয়া ঋণগ্রহীতারাও সংশ্লিষ্ট সুবিধার আওতায় নতুন আবেদন করতে পারবেন। নতুন আবেদনের ক্ষেত্রে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত অশ্রেণিকৃত ঋণ বিশেষ পুনর্গঠন সুবিধা এবং বিরূপভাবে শ্রেণিকৃত ঋণ বিশেষ পুনঃতফসিল সুবিধার আওতায় আনা যাবে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপের ঋণস্থিতি ১ হাজার কোটি টাকা বা তার বেশি হলে বিশেষ পুনঃতফসিলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দুই বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ সর্বোচ্চ ১৫ বছর মেয়াদে ঋণ পুনঃতফসিল করা যাবে। এ ছাড়া বিশেষ পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২২ সালের সংশ্লিষ্ট সার্কুলারে নির্ধারিত মেয়াদের অতিরিক্ত সর্বোচ্চ চার বছর মেয়াদ নির্ধারণ করে পুনর্গঠন করা যাবে। তবে ঋণস্থিতি ১ হাজার কোটি টাকার কম হলে বিশেষ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৫ সালের সার্কুলারে নির্ধারিত মেয়াদই প্রযোজ্য হবে।
এ ব্যবস্থার আওতায় করা সব আবেদন প্রয়োজনীয় ডাউন পেমেন্ট গ্রহণের পর ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে নিষ্পত্তি করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসা ও আর্থিক কার্যক্রম পুনর্গঠনে নীতি সহায়তা সংক্রান্ত আগের সার্কুলার ও নির্দেশনাগুলো অপরিবর্তিত থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশটি ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৯(১)(চ) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জারি করেছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।