উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি এখনো বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে আগামী পাঁচ দিন ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের দৈনিক বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।
গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী পাঁচ দিন এ নদ-নদীগুলোর পানি আরও বাড়তে পারে, তবে তা বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। গঙ্গা-পদ্মা নদীসমূহের পানি সমতল বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে এবং আগামী পাঁচ দিন পদ্মা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলের তিস্তা নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল থাকলেও ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বেড়েছে। আগামী তিনদিন এসব নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। পূর্বাঞ্চলে গত ২৪ ঘণ্টায় ফেনী ও সাঙ্গু নদীর পানি বাড়লেও গোমতী, সেলোনিয়া, মুহুরী ও মাতামুহুরী নদীর পানি কমেছে।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে কুশিয়ারা নদীর পানি বাড়লেও সুরমা নদীর পানি কমেছে। আগামী এক দিন এসব নদীর পানি কমতে পারে এবং পরবর্তী দুই দিন আবার বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন ঝাড়খন্ডে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে পশ্চিম ঝাড়খন্ড ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে এটি লঘুচাপে পরিণত হতে পারে। এছাড়া আগামী তিন দিন দেশের রংপুর, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ এবং তৎসংলগ্ন উজানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।