উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
প্রিপেইড মিটারে অতিরিক্ত অর্থ কেটে নেওয়া, অস্বাভাবিক বিল, ছুটির দিন বা রাতে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং ট্যারিফ পরিবর্তনের পর দীর্ঘ টোকেন আসা নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি)। গত মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গ্রাহকদের এসব বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।
ডিপিডিসি জানিয়েছে, বিদ্যুতের ট্যারিফ পরিবর্তনের পর প্রথমবার রিচার্জ করলে ২০০ থেকে ২২০ ডিজিটের দীর্ঘ টোকেন আসতে পারে। তবে দ্বিতীয়বার থেকে আগের মতোই ২০ ডিজিটের টোকেন পাওয়া যাবে। ম্যানুয়ালি টোকেন প্রবেশ করানোর ঝামেলা এড়াতে বর্তমানে অনলাইন নেটওয়ার্কের আওতায় এএমআই প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হচ্ছে।
প্রিপেইড মিটারে কোনো ‘ভূতুড়ে বিল’ হওয়ার সুযোগ নেই বলে দাবি করেছে ডিপিডিসি। সংস্থাটি জানায়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের নির্ধারিত মূল্যহার অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিল কাটা হয়। তবে কমন নিউট্রালজনিত ত্রুটি বা অন্য কোনো কারিগরি সমস্যার কারণে অস্বাভাবিক বিলিং হতে পারে। এমন সমস্যা দেখা দিলে হটলাইন ১৬১১৬ নম্বরে অভিযোগ করতে বলা হয়েছে।
গ্রাহকদের সুবিধার জন্য সাপ্তাহিক ছুটির দিন এবং প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত সময়কে ‘ফ্রেন্ডলি আওয়ার’ ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময়ে ব্যালেন্স শেষ হলেও সংযোগ বিচ্ছিন্ন হবে না এবং মিটার নেগেটিভ ব্যালেন্সে সচল থাকবে। এ ছাড়া গ্রাহকেরা ‘ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স’ চালু করেও বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারবেন, যা পরবর্তী রিচার্জের সময় সমন্বয় করা হবে।
চার্জ ও মিটার ভাড়ার বিষয়ে ডিপিডিসি জানায়, অনুমোদিত লোডের বিপরীতে প্রতি মাসে একবার ডিমান্ড চার্জ কাটা হয়। কোনো মাসে রিচার্জ না করলে পরবর্তী রিচার্জে বকেয়াসহ তা কেটে নেওয়া হয়। ডিপিডিসির সরবরাহ করা সিঙ্গেল-ফেজ মিটারের মাসিক ভাড়া ৪০ টাকা এবং থ্রি-ফেজ মিটারের ভাড়া ২৫০ টাকা। তবে গ্রাহক নিজে মিটার কিনলে কোনো ভাড়া দিতে হয় না। এ ছাড়া রিচার্জের অর্থের ওপর ৫ শতাংশ সরকারি ভ্যাট প্রযোজ্য।