উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে সরকার অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস দেখাতে চায় না বলে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে এলএনজির দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তিনি জানান। তবে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলে বিদ্যুৎ সরবরাহের বর্তমান সংকট দ্রুত কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মঙ্গলবার সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন উপদেষ্টা। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। আগামী বছর থেকে রূপপুরের এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পূর্ণমাত্রায় চালুর দিকে যাবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট সমাধানে দুই বছর সময় লাগবে বলে এর আগে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছিল, তার ব্যাখ্যা দেন জাহেদ উর রহমান। তিনি স্পষ্ট করেন যে এর অর্থ বর্তমান সংকট কাটাতে এত সময় লাগবে তা নয়, বরং সাময়িক যান্ত্রিক ও সরবরাহজনিত সমস্যা দ্রুতই সমাধান হবে। দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ সরবরাহ আরও স্থিতিশীল করতে সরকার নতুন এফএসআরইউ আনাসহ একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান তিনি।
বাপেক্স ১৫০টি কূপ খনন ও পুনঃখননের কাজ করছে এবং ভোলার গ্যাস পাইপলাইনে আনতে ৫০০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে বলে জানান উপদেষ্টা। এসব উদ্যোগের সঙ্গে রূপপুরের পূর্ণমাত্রার উৎপাদন যুক্ত হলে আগামী দুই বছরে বিদ্যুৎ পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তখন শহর ও গ্রাম মিলিয়ে প্রায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে সরকারের প্রত্যাশা রয়েছে।