উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দলের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের প্রথম কবরস্থানে শ্রদ্ধা জানাতে নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। মঙ্গলবার ১ সেপ্টেম্বর সকাল থেকেই চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পাহাড়তলী এলাকায় সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়। নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই বিএনপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী হওয়ায় নেতাকর্মীদের মাঝে ছিল বাড়তি উদ্দীপনা ও আবেগ।
সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে শহীদ জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত এ স্থানে এসে জমায়েত হতে থাকেন অনুসারীরা। পুষ্পস্তবক অর্পণ, জিয়ারত এবং দোয়া মোনাজাতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির স্মৃতি ও রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। দলীয় সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সারা বাংলাদেশে একযোগে আগামী বুধবার ও আগামী বৃহস্পতিবার বৃক্ষরোপণ ও মৎস্যপোনা অবমুক্ত করণের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
শ্রদ্ধা জানিয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য জাগির হোসেন বলেন, রাঙ্গুনিয়ার এই মাটি বিএনপি ও জাতীয়তাবাদী দর্শনের এক ঐতিহাসিক সাক্ষী এবং শহীদ জিয়াউর রহমানের প্রথম সমাধিস্থল আমাদের প্রেরণার উৎস। দীর্ঘ ১৭ বছরের জুলুম-নির্যাতন পেরিয়ে আজ আমরা স্বাধীন পরিবেশে দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করছি। দলের হাতকে আরও শক্তিশালী করতে বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন মো. হেলাল উদ্দীন ঢাকা পোস্টকে বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম ও ত্যাগের পর আমরা এক নতুন বাংলাদেশের সূচনা করেছি এবং আজকের দিনটি আমাদের কাছে সত্যিই আনন্দের। বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে সেখানে শ্রদ্ধা পর্যন্ত জানানো যেত না এবং পুলিশ দিয়ে হয়রানি করা হতো। বর্তমান নির্বাচিত সরকারের মেয়াদে দেশকে একটি স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করাই তাদের মূল লক্ষ্য।
মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুরে রহমান বলেন, শহীদ জিয়া কেবল একটি দল প্রতিষ্ঠা করেননি, তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন। দেশের জনগণ ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়ে যেভাবে ভোটের মাধ্যমে বিএনপিকে নির্বাচিত সরকারের আসনে বসিয়েছে, সেই জনগণের প্রত্যাশা পূরণ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠাই এখন মহানগর বিএনপির মূল অগ্রাধিকার। কর্মসূচিতে চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতারাসহ বিপুলসংখ্যক সমর্থক অংশ নেন।