উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ফিটনেসের কাগজ থাকলেও বাস্তবে চলাচলের অনুপযোগী বাস রাজধানীর সড়কে চলতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আনিছুর রহমান। মঙ্গলবার ১ সেপ্টেম্বর দুপুরে রাজধানীর মহাখালি বাস টার্মিনালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীতে দীর্ঘদিন ধরে গ্যাপের বাস রাখা ও মেরামতের জন্য পর্যাপ্ত জায়গার সংকট ছিল এবং এ কারণে বিভিন্ন সময় উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা পুরোপুরি সফল হয়নি।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা, এমনকি কয়েক দিন ধরে দাঁড়িয়ে থাকা বাসগুলো পূর্বাচলের অস্থায়ী ডিপোতে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পূর্বাচলের ৩ নম্বর সেক্টরে বর্তমানে আংশিকভাবে ডিপোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং সেখানে প্রাথমিকভাবে প্রায় ১৫০টি বাস রাখা যাবে। পূর্ণাঙ্গভাবে নির্মাণ শেষ হলে ৬০০টি বাস রাখার সক্ষমতা তৈরি হবে এবং পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হতে আরও অন্তত তিন মাস সময় লাগতে পারে।
যেসকল গাড়ির অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল শেষ হয়ে গেছে, সেগুলো রাজধানীর সড়কে চলতে দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী বাসের অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল ২০ বছর এবং অন্যান্য যানবাহনের ক্ষেত্রে ২৫ বছর। মেয়াদ শেষ হওয়া কোনো গাড়ি রাস্তায় পাওয়া গেলে তা আটকের পর বিআরটিএর কাছে পাঠানো হবে এবং স্ক্র্যাপ নীতিমালা-২০২৬ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ প্রায় ৪০টি গাড়ি বিআরটিএর কাছে পাঠানো হয়েছে এবং ১৮টি গাড়ি স্ক্র্যাপ করা হয়েছে।
খারাপ অবস্থার গাড়ি আটক করে রাখার মতো পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় নতুন পদ্ধতিতে এসব গাড়ি সরাসরি নির্দিষ্ট গ্যারেজে পাঠানো হচ্ছে। কোনো গাড়ির মালিক নিজ পছন্দের গ্যারেজে গাড়ি নিতে পারলেও ট্রাফিক পুলিশ ছবি সংরক্ষণ করবে এবং মেরামত শেষে ক্লিয়ারেন্স নেওয়ার পরই গাড়ি সড়কে নামতে পারবে। উদ্যোগ বাস্তবায়নে মালিক ও শ্রমিকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে আইন প্রয়োগের মাধ্যমেও উদ্যোগগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। প্রতিটি সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেই নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।