উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের অব্যাহত প্রচেষ্টার ফলে শিগগিরই নতুন করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ কর্মীদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নেওয়ার ব্যাপারে নীতিগতভাবে একমত হয়েছে এবং বিমানভাড়াসহ কর্মীদের কোনো ব্যয় বহন করতে হবে না। নতুন করে আরও ৩১২টি এজেন্সি যুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশ থেকে কর্মী পাঠানোর পরিসর অনেক বাড়বে বলে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত ও মনোবল হারানো পুলিশ বাহিনী নিয়ে কাজ করতে হয়েছে। বর্তমান সরকারের সময়ে হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা বা মামলার সংখ্যা কিছুটা বাড়লেও চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো অন্যান্য অপরাধের মামলা কমেছে। তিনি আরও বলেন, অপরাধ হচ্ছে এবং একটি অপরাধও যেন না ঘটে বা ঘটলে সেটার দায় সরকার মানতে দ্বিধা করছে না। সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ছয় মাস পূরণ হয়েছে এবং ধীরে ধীরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সমস্যাগুলোর সমাধান হবে বলে সরকার আশা করছে।
নতুন বেতন কাঠামো বা পে-স্কেল প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ উর রহমান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, নতুন বেতন কাঠামোয় সবার বেতন দ্বিগুণ হয়ে যাবে বিষয়টি এমন নয়। নতুন স্কেলে বেতন ১০০ শতাংশ বাড়ার বিষয়টি দেখে মনে হতে পারে সবার বেতন দ্বিগুণ হয়ে যাবে, কিন্তু বাস্তবে অনেক জ্যেষ্ঠ কর্মচারী নিয়মিত ইনক্রিমেন্টের কারণে নতুন স্কেলের বেতনের কাছাকাছি পর্যায়ে পৌঁছে গেছেন। ফলে নতুন স্কেল কার্যকর হলে অনেকের বেতন প্রত্যাশিত হারে বাড়বে না। বিপুলসংখ্যক মানুষের বেতন বাড়লে কিছুটা মূল্যস্ীফতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে উপদেষ্টা জানান যে, বাংলাদেশ ব্যাংক তার হাতে থাকা নীতিগত উপকরণ ব্যবহার করে কাজ করবে এবং সরকারও প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নেবে। মূল্যস্ফীতিতে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে সরকারের সামাজিক সহায়তা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বছরের শেষ নাগাদ ৪০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে, যার মাধ্যমে প্রায় দুই কোটি মানুষ এই সহায়তার সুফল পাবে। এছাড়া খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি, ওএমএস ও টিসিবির পণ্য বিক্রির আওতাও বাড়ানো হয়েছে বলে জানান তিনি।