উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪.১৪ শতাংশ। একই সময়ে দেশের মানুষের মাথাপিছু জাতীয় আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২০ ডলারে। সোমবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত সাময়িক হিসাবে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী অর্থবছরে বর্তমান বাজারমূল্যে দেশের জিডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ৬১ লাখ ২০ হাজার ২০৯ কোটি টাকা। আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এর আকার ছিল ৫৫ লাখ ১৫ হাজার ২৬ কোটি টাকা। ডলারের হিসাবে বর্তমানে জিডিপির পরিমাণ প্রায় ৫০১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
জিডিপির প্রধান তিনটি খাত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, কৃষি ও সেবা খাতে উন্নতি হলেও শিল্প খাতে বড় পতন হয়েছে। বিদায়ী অর্থবছরে কৃষি খাতে ২.৭৮ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৪.৫৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তবে শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধি ৩.৭১ শতাংশ থেকে কমে মাত্র ২.৮৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
বিনিয়োগ ও সঞ্চয়ের ক্ষেত্রেও কিছুটা মন্দা দেখা গেছে। সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, গত অর্থবছরে জিডিপির তুলনায় বিনিয়োগের অনুপাত কমে ২৭.৯৩ শতাংশ হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয় সঞ্চয়ের অনুপাত ২৭.৬৭ শতাংশ থেকে কমে ২৬.৯৩ শতাংশে নেমে এসেছে।
স্বস্তির বার্তা দিয়েছে মাথাপিছু আয়ের চিত্র। বিদায়ী অর্থবছরে মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৮৭৩ টাকা বা ৩ হাজার ২০ মার্কিন ডলার। এই হিসাব প্রণয়নের ক্ষেত্রে জুলাই-মার্চ সময়ের ডলারের গড় বিনিময় হার ১২২.১৪ টাকা ধরা হয়েছে।
কৃষি খাতে আমনের উৎপাদন ৫.১১ শতাংশ বাড়লেও আউশ ও পাটের উৎপাদনে পতন ঘটেছে। বিবিএসের এই সার্বিক সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, বৃহৎ শিল্পে প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়া এবং সঞ্চয় হ্রাস পাওয়া দেশের উৎপাদন ও বিনিয়োগ সক্ষমতা নিয়ে নতুন সতর্কবার্তা দিচ্ছে।