উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীদের ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্যে অসন্তুষ্ট জামায়াতে ইসলামী। দলটি দ্রুত নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা চায় এবং স্থানীয় প্রশাসনে নিয়োগ পাওয়া বিএনপির প্রশাসকেরা যাতে বাড়তি সুবিধা নিতে না পারেন, সে নিশ্চয়তাও চায়। গত বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন সাংবাদিকদের জানান, সেপ্টেম্বরের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে।
শুরুতে ইউনিয়ন পরিষদ, তারপর ধাপে ধাপে পৌরসভা, সিটি করপোরেশন, উপজেলা ও জেলা পরিষদ নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, ডিসেম্বর বা আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে নির্বাচন শুরুর বক্তব্য দিয়েছিলেন। জামায়াত নেতারা বলছেন, নির্বাচন নিয়ে এমন ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করছে।
নির্বাচনের তারিখ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তুতি থেমে নেই এবং প্রার্থী বাছাইসহ ৭৫–শতকরা ৮০ প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। ১৩টি সিটি করপোরেশনের বেশির ভাগের প্রার্থীও চূড়ান্ত করে রাখা হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে না বিধায় প্রার্থীর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা ও স্থানীয় পর্যায়ে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের ওপর জামায়াত জোর দিচ্ছে।
জামায়াত এককভাবে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিলেও স্থানীয় পর্যায়ে ১১–দলীয় ঐক্যের মধ্যে কোনো সমঝোতা হলে এতে বাধা থাকবে না। তবে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরে বিএনপি যেসব প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে, তাঁদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ না দেওয়ার পক্ষে জামায়াত। দলটির নেতারা মনে করেন, এর ফলে বিএনপি অতিরিক্ত সুবিধা পাবে এবং নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা হারাতে পারে।