উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বাজারে আসার প্রথম ১৫ দিন আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের শুধু ৫১২ জিবি এবং ১ টিবি ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যাবে। এই ভ্যারিয়েন্টের দাম ২,৫০,০০০ টাকা থেকে ২,৮০,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এর সাত দিন পর বাজারে আসবে ২৫৬ জিবি ভ্যারিয়েন্ট, যার দাম ধরা হয়েছে ১,৭০,০০০ টাকা থেকে ২,০০,০০০ টাকা। তবে প্রথম ১৫ দিনের মধ্যেই ৫১২ জিবি ও ১ টিবির দাম কমে ১,৭০,০০০ থেকে ১,৮০,০০০ টাকায় নেমে আসবে এবং ২৫৬ জিবির দামও আরও কমবে।
আইফোন প্রি-অর্ডার করার ক্ষেত্রে তিনটি প্রধান উপায় রয়েছে যা ক্রেতারা বেছে নিতে পারেন। এসএমএস গ্যাজেটের মতো অথোরাইজড রিসেলারের ওয়েবসাইট বা অ্যাপ থেকে অর্ডার দেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ কারণ এটি সরাসরি অফিসিয়াল চ্যানেল। এছাড়া ভেরিফাইড অনলাইন মার্কেটপ্লেসেও প্রি-অর্ডার করা সম্ভব যেখানে একসাথে অনেক বিক্রেতার দাম তুলনা করার সুবিধা থাকে। ফিজিক্যাল স্টোরে গিয়ে নির্দিষ্ট বুকিং অ্যামাউন্ট জমা দিয়েও নাম লেখানো একটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য মাধ্যম।
প্রি-অর্ডারের ক্ষেত্রে বুকিং অ্যামাউন্ট এবং পুরো দাম যে এক নয়, সে বিষয়টি মাথায় রাখা জরুরি। অর্ডার দেওয়ার সময় শুধু একটি ছোট পরিমাণ টাকা জমা দিতে হয় এবং বাকি টাকা পণ্য ডেলিভারির সময় পরিশোধ করতে হয়। এসএমএস গ্যাজেট জানিয়েছে যে তারা এখন থেকেই প্রি-অর্ডার নেওয়া শুরু করেছে। তবে প্রি-অর্ডারের দিনের দাম চূড়ান্ত নয়, বরং পণ্য ডেলিভারি নেওয়ার দিনের দামই কার্যকর হবে।
বাজেট সংকট থাকলে ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক কিংবা ইবিএল-এর মতো ব্যাংকের কার্ডের মাধ্যমে কিস্তি বা ইএমআই সুবিধা ব্যবহার করা যেতে পারে। একবারে টাকা পরিশোধ করার সামর্থ্য থাকলে ফুল পেমেন্ট করাই সবচেয়ে সহজ ও ঝামেলামুক্ত। তবে হাতে নগদ টাকা কম থাকলে মাসিক কিস্তির মাধ্যমে কিনলে আর্থিক চাপ অনেকখানি কমে যায়। সঠিক জায়গা থেকে প্রি-অর্ডার না করলে প্রতারিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে, তাই তাড়াহুড়ো না করে বিশ্বস্ত উৎস থেকেই ফোনটি সংগ্রহ করা উচিত।