উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বিলাসবহুল গাড়ি আমদানিতে নতুন কৌশলের আশ্রয় নিয়ে বড় ধরনের জালিয়াতি শনাক্ত করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)। মোংলা বন্দর দিয়ে চারটি দামি গাড়িকে খণ্ডিত অবস্থায় এনে 'ইউজড কার পার্টস' হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, যা জোড়া লাগালেই পূর্ণাঙ্গ গাড়িতে রূপান্তর করা সম্ভব।
জাপানের মাহি কার পোর্ট থেকে আসা এই চালানটি ঢাকার গেন্ডারিয়ার ক্রাউন অটোমোবাইল সার্ভিসেস আমদানি করেছিল। সিআইআইডি জানায়, কাস্টমস বিধি অনুযায়ী খণ্ডিত অবস্থায় থাকলেও গাড়ির অপরিহার্য অংশ থাকায় এগুলোকে পূর্ণাঙ্গ মোটরযান হিসেবেই গণ্য করা হবে। এ ধরনের আমদানিতে আমদানি নীতি আদেশ ও কাস্টমস আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।
উদ্ধার হওয়া গাড়িগুলোর মধ্যে রয়েছে রেঞ্জ রোভার ভোগ, বিএমডব্লিউ ৬৫০আই, লেক্সাস এলএক্স ৫৭০ এবং টয়োটা ক্রাউন অ্যাথলেট। এসব গাড়ির বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে ৪ কোটি থেকে পৌনে ৭ কোটি টাকা হলেও আমদানিকারক মাত্র ৯ লাখ ৯৪ হাজার টাকা শুল্কায়নযোগ্য মূল্য দেখিয়ে রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করেছে।
সিআইআইডির মহাপরিচালক মোহাম্মদ সফিউর রহমান জানান, খুচরা যন্ত্রাংশ হিসেবে ঘোষণা দিলেও বাস্তবে এগুলো গাড়ির ইঞ্জিন, বডি ও সাসপেনশনসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একইভাবে চট্টগ্রামে একটি বিএমডব্লিউ গাড়ি যন্ত্রাংশ হিসেবে এনে জোড়া লাগিয়ে ভুয়া রেজিস্ট্রেশন নম্বরে চালানোর ঘটনাও শনাক্ত করেছে গোয়েন্দা সংস্থাটি।