উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বাংলাদেশ ব্যাংক সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’র ঋণ আদায়, পুনর্গঠন ও সার্বিক কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছে। বৃহস্পতিবার এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সাথে ব্যাংক রেজল্যুশন ডিপার্টমেন্টের একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ব্যাংকটির একীভূতকরণ, পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা পুনর্বিন্যাস, মানবসম্পদ এবং তথ্যপ্রযুক্তি সমন্বয়ের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।
আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় খেলাপি ঋণ আদায়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ব্যাংকটি ইতোমধ্যে প্রায় ১০ হাজার মামলা দায়ের করেছে। প্রচলিত আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি ঋণ আদায়ে এক্সিট পলিসি ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মতো সমঝোতাভিত্তিক বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ব্যাংকটির আগের অনিয়ম ও ঋণ জালিয়াতির সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করতে পরিচালিত ফরেনসিক অডিট চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
গত ছয় মাসে ব্যাংকটির পুনর্গঠন ও কার্যক্রমে স্বতন্ত্র পরিচালকদের প্রাধান্য দিয়ে পর্ষদ পুনর্গঠন এবং গত ১৬ জুলাই সিইও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রায় ১৬ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদমর্যাদা ও সাংগঠনিক কাঠামোর সমন্বয়ের কাজ চূড়ান্ত করা হয়েছে। গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করতে পাঁচটি ব্যাংকের প্রযুক্তিগত অবকাঠামো একীভূত করার কাজও দ্রুত এগিয়ে চলছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, এসব সমন্বিত উদ্যোগের ফলে ব্যাংকটির সুশাসন, পরিচালন দক্ষতা ও আর্থিক সক্ষমতা বাড়বে। ৩৫ হাজার কোটি টাকা মূলধনসমৃদ্ধ শরিয়াহভিত্তিক এই ব্যাংকের সম্পদ ও আমানত ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পুনর্গঠন ও প্রযুক্তিগত সমন্বয় কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।