উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের ব্যবস্থা নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার চার দেশ বাংলাদেশ, নেপাল, পাকিস্তান ও মিয়ানমারের জনশক্তি রপ্তানিকারক সংগঠন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এক যৌথ বিবৃতিতে এই উদ্বেগ জানান নেপাল অ্যাসোসিয়েশন অব ফরেন এমপ্লয়মেন্ট এজেন্সির সভাপতি দিক বাহাদুর খত্রি, বায়রার সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রিয়াজ উল ইসলাম, মিয়ানমারের মিয়ো থান্ট এবং পাকিস্তানের সাইয়েদ রহমত আলী শাহ।
বিবৃতিতে বলা হয়, মালয়েশিয়ার এফডব্লিউসিএমএস নিয়োগ ব্যবস্থায় একটি নির্বাচিত গ্রুপের মাধ্যমে সুযোগ সীমিত করার প্রস্তাবিত বা বিদ্যমান অনুশীলন নিয়ে তারা গুরুতর চিন্তিত। নেতৃবৃন্দ ডিজিটালাইজেশন ও স্বচ্ছতাকে সমর্থন করলেও কোনো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম যেন সিন্ডিকেশন বা একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ সৃষ্টির মাধ্যম না হয়, সে বিষয়ে জোর দিয়েছেন।
কর্মী প্রেরণকারী দেশগুলোতে হাজার হাজার লাইসেন্সপ্রাপ্ত এজেন্সি রয়েছে এবং তারা বৈধ নিয়োগের সুযোগে সমান ও বৈষম্যহীন প্রবেশাধিকার পাওয়ার যোগ্য। সীমিত সংখ্যক সংস্থাকে একচেটিয়া সুযোগ দিলে তা ন্যায্য প্রতিযোগিতা ও নৈতিক নিয়োগের নীতিকে দুর্বল করে এবং শ্রমিকদের ব্যয় বৃদ্ধি করতে পারে বলে তারা মনে করেন।
তাই মালয়েশিয়া সরকার ও স্টেকহোল্ডারদের প্রতি এফডব্লিউসিএমএস সিস্টেম পর্যালোচনা করার আহ্বান জানিয়ে নেতারা সিন্ডিকেশন রোধ এবং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। তারা স্পষ্ট করেছেন যে এটি মালয়েশিয়া বা ডিজিটাল পদ্ধতির বিরুদ্ধে কোনো অবস্থান নয়, বরং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার এক সম্মিলিত আহ্বান। মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের ব্যবস্থা নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার চার দেশ বাংলাদেশ, নেপাল, পাকিস্তান ও মিয়ানমারের জনশক্তি রপ্তানিকারক সংগঠন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এক যৌথ বিবৃতিতে এই উদ্বেগ জানান নেপাল অ্যাসোসিয়েশন অব ফরেন এমপ্লয়মেন্ট এজেন্সির সভাপতি দিক বাহাদুর খত্রি, বায়রার সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রিয়াজ উল ইসলাম, মিয়ানমারের মিয়ো থান্ট এবং পাকিস্তানের সাইয়েদ রহমত আলী শাহ।