উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংক। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে চীনের কোম্পানি সিএমইসি এরইমধ্যে কাজ শুরু করেছে। আগামী দেড় বছরের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে এ প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আগামী ২ সেপ্টেম্বর চীন যাবেন প্রতিমন্ত্রী। এছাড়া আমিনবাজারের ল্যান্ডফিল ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও চীনের সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে দেশের ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, হাটবাজার, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে চীনের বিনিয়োগ ও সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে ব্যবহার ও সমন্বয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। দিনের বেলা সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার এবং রাতে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে নেট মিটারিং ব্যবস্থার আওতায় সমন্বয়ের সুযোগ রয়েছে।
ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ল্যান্ডফিলে জমে থাকা বিপুল পরিমাণ বর্জ্য ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। চীনের পাওয়ারচায়না কোম্পানিকে এ বিষয়ে দ্রুত কাজ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং এভাবে প্রতিদিন প্রায় ৪০ থেকে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। আমিনবাজারে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্পের চুক্তি এরইমধ্যে হয়েছে এবং প্রকল্পটি ১৮ মাসের মধ্যে উৎপাদনে যাওয়ার কথা রয়েছে।